সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
১০ বছরের মধ্যে এআই ‘সবাইকে মেরে ফেলবে’—সতর্কবার্তায় তোলপাড় একটি ফেন্টানিল-মিশ্রিত বড়িই কাল হলো হেইডেন প্যানেটিয়ারের চীনে আন্তর্জাতিক ইউরোলজি সম্মেলনে বাংলাদেশের ইউরোলজিস্টদের অংশগ্রহণ ও প্রত্যাবর্তন ডিভাইসের আসক্তি থেকে শিশু-কিশোরদের মাঠে ফেরাতে হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Rich Maroko’s Leadership Through the Eyes of an HTC Member: Achievements Must Not Be Overlooked How Much Land Does a Man Need? ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডে-কেয়ার মালিককে ৭৬ মাসের কারাদণ্ড, ৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার ফেরতের নির্দেশ নিউইয়র্কে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নাগরিক সংবর্ধনা ৯/১১-এর সেই ভয়াবহ দিন: “কিছুই আমাকে এর জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি”

১০ বছরের মধ্যে এআই ‘সবাইকে মেরে ফেলবে’—সতর্কবার্তায় তোলপাড়

রিপোটার:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ Time View
Screenshot

এমডি নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) দ্রুত মানুষের জীবন ও কর্মক্ষেত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা, গবেষণা, যোগাযোগ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা কাজে এআই নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে উন্নত এআই ভবিষ্যতে মানুষের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন সতর্কবার্তাও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

সম্প্রতি প্রযুক্তি ও এআই নিয়ে কাজ করা কয়েকজন বিশেষজ্ঞের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, অত্যন্ত শক্তিশালী ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআই ভবিষ্যতে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এমনকি ‘১০ বছরের মধ্যে এআই সবাইকে মেরে ফেলতে পারে’—এ ধরনের চরম সতর্কবার্তাও আলোচনায় এসেছে।

তবে এ ধরনের বক্তব্যকে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে দেখা ঠিক নয়। এআই আগামী ১০ বছরে মানবজাতিকে ধ্বংস করবে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বর্তমানে নেই। বরং এসব সতর্কবার্তার মূল উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে এখন থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করা।

এখন আমাদের করণীয় কী?

প্রথমত, আতঙ্ক নয়—সচেতনতা বাড়াতে হবে। এআইকে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া বাস্তবসম্মত সমাধান নয়। বরং কীভাবে নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহার করা যায়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

দ্বিতীয়ত, এআইয়ের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রয়োজন। সরকার, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, গবেষক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থার জন্য নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি করতে হবে।

তৃতীয়ত, মানুষের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—বিশেষ করে চিকিৎসা, আইন, সামরিক কার্যক্রম, আর্থিক ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে—শুধু এআইয়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

চতুর্থত, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। এআই অনেক কাজের ধরন পরিবর্তন করবে। তাই মানুষকে এআইয়ের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প না হয়ে মানুষের সহযোগী হয়।

সবশেষে, প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধকেও সামনে রাখতে হবে। এআই যত শক্তিশালী হবে, এর ব্যবহার তত বেশি দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

এআই নিজে ভালো বা খারাপ—এভাবে দেখার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, মানুষ কীভাবে এটি তৈরি করছে, কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে এবং কতটা নিরাপদভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় পাওয়ার চেয়ে এখন থেকেই সঠিক নিয়ম, নিরাপত্তা ও মানবিক দায়িত্ব নিশ্চিত করাই হতে পারে সবচেয়ে বুদ্ধিমান পদক্ষেপ।

প্রযুক্তি আমাদের হাতিয়ার—সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব মানুষের।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো খবর

খুলনায় জমি বিক্রি হবে

খুলনা-যশোর বিশ্বরোডে মোস্তফার মোড়ের নিকটে টুটুল নগর আবাসিক এলাকায় এখনই বাড়ি করার উপযোগী ১০ শতক জমি বিক্রি হবে। ডিজিটাল খাজনা খারিজ করা। সম্পূর্ণ নিষ্কন্টক। বিশ্ব রোড থেকে ২০ ফিট রাস্তা, ভেতরে ১৫ ফিট রাস্তা। উচু জমি।

যোগাযোগ: মো. মহসিন হোসেন-০১৭১১৭৮৩৮৬৮

 

© All rights reserved © 2022 deshnews24.com
Theme Customized By Max Speed Ltd.