মো. নাসির, নিউ জার্সি প্রতিনিধি :
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে বাড়ি কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য আবারও কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির ৩০ বছরের ফিক্সড-রেট মর্টগেজ সামান্য বেড়ে ৬.৬৬ শতাংশে উঠেছে, যা আগের সপ্তাহের ৬.৬৫ শতাংশের চেয়ে বেশি। এক বছর আগে একই সময়ে এই হার ছিল ৬.৫৬ শতাংশ।
এদিকে ১৫ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হারও বেড়ে ৫.৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫.৯৫ শতাংশ।
মর্টগেজের সুদের হার সামান্য বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বড় হতে পারে। সুদের হার বেশি থাকলে মাসিক মর্টগেজ পেমেন্ট বেড়ে যায় এবং একই আয় দিয়ে ক্রেতাদের বাড়ি কেনার সক্ষমতা কমে যায়। ফলে অনেক সম্ভাব্য ক্রেতা বাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিতে পারেন।
সাম্প্রতিক তথ্যেও আবাসন বাজারে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একক-পরিবারের বাড়ি বিক্রি ১০.৫ শতাংশ কমে বার্ষিক হিসাবে ৬০৭,০০০ ইউনিটে নেমে এসেছে—যা জানুয়ারি ২০২৬-এর পর সর্বনিম্ন। উচ্চ মর্টগেজ রেটকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে সব খবরই নেতিবাচক নয়। Freddie Mac বলছে, অনেক এলাকায় বাড়ির সরবরাহ বাড়ছে এবং দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমেছে, ফলে ক্রেতারা আগের তুলনায় বেশি বিকল্প পাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ি কেনার পরিকল্পনা থাকলে শুধু সুদের হার নয়—ডাউন পেমেন্ট, ক্রেডিট স্কোর, সম্পত্তির দাম, ট্যাক্স ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট মাসিক ব্যয় হিসাব করা জরুরি। বিভিন্ন ঋণদাতার অফার তুলনা করলেও দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় হতে পারে।