বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনামঃ
রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ গ্রন্থটি কালোত্তীর্ণ গ্রস্থ হবে: নজরুল ইসলাম খান ‘শক্তিশালী রাজস্ব  ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির নবনিযুক্ত জাতীয় স্থায়ী কমিটির চার সদস্য। Dr. Sajjad Hossain Bhuiyan Appointed as ACC Commissioner সন্তানের হার্ভার্ড বা এমআইটিতে পড়ার সুযোগ: প্রবাসী বাবা-মায়ের জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন Queens Arson Survivor Liam Dominguez Celebrates Birthday Surrounded by Family, Friends and FDNY Firefighters জামায়াতে ইসলামী নিয়ে আব্দুল্লাহিল আমান আজমীর মন্তব্যে নতুন বিতর্ক অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা: রফিকুল ইসলামের নিন্দা ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর চেষ্টা চলছে: বিমানমন্ত্রী অর্থবছর হবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ

রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ গ্রন্থটি কালোত্তীর্ণ গ্রস্থ হবে: নজরুল ইসলাম খান

রিপোটার:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ Time View

‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ গ্রন্থটি কালোত্তীর্ণ গ্রস্থ হবে’  বলে মন্তব্য করেছেন নজরুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রবীন রাজনীতিবিদ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘‘ অনেক রাজনীতিবিদ আছে যাদেরকে আমরা ভুলে যেতে বসেছি। কিন্তু তাদের যথেষ্ট অবদান ছিল বাংলাদেশের রাজনীতি পুনর্গঠন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার বিষয়ে। একটা একটা করে নাম বললে অনেক নাম হয়ে যাবে…. আপনারা বইটা পইড়েন। ”

‘‘ যাদেরকে ভুলে যাওয়া হয়েছিলো  কিংবা তাকে যাদেরকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল মারুফ কামাল খান তাদেরকে সামনে নিয়ে এসেছেন একজন লেখক হিসাবে, অনিসন্দিচ্ছু একজন…  কি বলবো? ইতিহাসবিদ তো না কিন্তু ইতিহাস লেখা হয়ে গেছে। এটা শুধু সাংবাদিকতার অনুসন্ধিচ্ছু না, সাংবাদিক এবং একজন সচেতন রাজনৈতিক কর্মীর দুইটা মিলিয়ে যে অনুভূতিটা হয় সেখান থেকে এটা হয়েছে। আমার ধারণা এই বইটা কালোত্তীর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ।”

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সাংবাদিক মারুফ কামাল খান এর লেখা ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ গ্রন্থের এই প্রকাশনা অনুষ্ঠান হয়। গ্রস্থটি প্রকাশক সূচীপত্রের প্রকাশক সাঈদ বারী।

দুই ঘন্টারও বেশি সময়ে ধরে প্রকাশনার অনুষ্ঠানে অতিথিদের বক্তব্য শুনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘

‘‘ বিদায়ের প্রাক্কালে প্রস্ফুটিত হওয়া চাপা ফুলের কষ্ট ধারণ করে কবি রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন আমারে ফুটিত হলো বসন্তের অন্তিম নিঃশ্বাসে আমি চম্পা…. দুই আড়াই ঘন্টা বসে সবার শেষে আপনাদের সামনে আমাকে দাঁড়াতে হয়েছে। আমার কষ্ট  আর কেউ লেখার মত নেই যদি মারুফ কামাল না লেখে।”

তিনি বলেন, ‘‘ এই অপেক্ষা ছিল আনন্দের, এই অপেক্ষা এক ধরনের গৌরবেরও… যে আমাদের দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তারা এই বইয়ের প্রশংসা করেছেন। আমি নিজে বইটা পড়েছি এবং আমার আগ্রহ আমি শিগগিরই আরেকবার পড়ব। “

কেনো বইটা পড়বেন তা ব্যাখ্যা করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘ আমার কাছে মনে হয়েছে যে এর মধ্যেও বোঝার এবং শেখার বিষয় আছে। বেশ কিছু তথ্য আছে আমি পড়েছি যেটা আমি আগে নিজেও জানতাম না। যেমন এক জায়গায় উনি বলেছেন, সোহরাওয়ার্দি সাহেব এই  শাহবাগে একটা অনুষ্ঠানে এসেছেন এবং তার সঙ্গে একজন অভিনেত্রী খুব উদীয়মান তরুণী অভিনেত্রী তার কাছাকাছি কোন জায়গা নাই… এ সময়ে শেখ সাহেব আসলেন এবং এটাতে উনি খুব অনেক কষ্ট পেলেন এবং বলতেছিলেন আরকি যে নেতা না হয়ে অভিনেতা হলে বোধহয় ভালো হতো। “

‘‘ সোহরাওয়ার্দি সাহেব তাকে বললেন তুই আবার নেতা হইলি কবে ? এই বইটা না পড়া পর্যন্ত এই ধরনের আরো অনেক বিষয় আছে যেটা আপনারা জানতে পারবেন না। “

তিনি বলেন, ‘‘ আমি বিশ্বাস করি, এসব বিষয় জানার আগ্রহ আছে আপনাদের। আমরা তো এমনি জেনারেলি জানি তার সম্পর্কে। আমার কাছে খুব একটা নতুন বিষয় মনে হয়েছে। এদেশের রাজনীতিতে যারা নন্দিত তাদের কথা বলার অনেক লোক আছে। কারণ এটা বলা সহজ। এটা সাধারণের কাজ। কিন্তু যারা যে কোন কারণেই হোক কিছুটা নিন্দিত তাদের সম্পর্কে কিছু অভিযোগ আছে কিংবা সন্দেহযুক্ত বলে তারা রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়। অতীত বলতে পারেন। মারুফ কামাল খানের এই বইটা আপনি বললে বুঝবেন যে ওইসব মানুষগুলির জীবনের রাজনীতির কিছু ভালো দিক তিনি তুলে ধরেছেন এখানে। “

‘‘ অর্থাৎ মানে সাধারণ মানুষ উদয়মান সূর্যের পূজা করে। যারা বিখ্যাত যারা গ্রহণ নয় গ্রহণীয় যারা জনপ্রিয় তাদের কথা কিন্তু যারা কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়েছে কিছুটা রিজেক্টেড হয়েছে কিন্তু তাদের মধ্যেও যে যোগ্যতা আছে তাদেরও যে ইতিহাস আছে তাদেরও যে অবদান আছে এই বিষয়গুলি তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে মারুফ কামাল খান প্রমাণ করেছেন যে তিনি সাধারণ না তিনি অসাধারণ।”

গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান লেখকের প্রশংসা করেন। তিনি ‘‘ অনেকগুলির বিষয় আছে এখানে। আমরা বহু রাজনীতিবিদ সম্পর্কে অনেক কথা জানি, অনেক কথা জানি না। ওসমানী সাহেবের দুইটা কুকুর ছিল… একটার নাম ছিল ফিল্ড মার্শাল, আরেকটার নাম ছিল ইন্দিরা। এর মধ্যে যে ব্যঙ্গটা এটা অনুভব করার একটি চিন্তা থাকা দরকার। পাকিস্তান আমলে ফিল্ড মাস্টার আইয়ুব খান এবং পরবর্তী পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হওয়ার পরেও তিনি তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কি ধারণা পোষণ করতেন। ”

‘‘ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আয়ুব খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী… তার দুইটা কুকুরের নাম দিলেন উনি …ফিল্ড মার্শাল এবং ইন্দিরা।  মনে হয় কি আপনাদের বিষয়টা জানার  বিষয় না, এটা বোঝার বিষয় না…. এ ধরনের অনেক কিছু আপনারা এই বইটা পড়লে পাবেন। মারুফ কামাল খানের অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য তার বই কেনার দরকার নাই…. আমি পরামর্শ দিব না। আমরা নিজেদের জন্য, নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য, নিজেদের চিন্তা এবং চেতনাকে শানিত করার জন্য এই বইটা কাজে লাগবে আপনাদে।র আশা করি সেজন্য কিনবেন আপনারা।”

বিএনপি চেয়ারপারসর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দীর্ঘদিন কাজ করার কথা উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘ উনি(মারুফ কামাল খান) খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে। কিন্তু আপনি খেয়াল করবেন যে সম্ভবত আতাউল গনি ওসমানি সম্পর্কে উনি যত ক্ষেত্রে কথা লিখেছেন, যত পৃষ্ঠা লিখেছেন, এমনকি বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে অতখানি লেখেন নাই। “

গ্রন্থের প্রত্যেকটা অধ্যায় আপনাকে ভাবতে শেখাবে, আপনাকে জানতে আগ্রহী করবে., আপনার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে বলে মন্তব্য করেন নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘‘ আমি নিশ্চিত জানি মারুফ কামাল খানের েভান্ডারে আরও রত্ন আছে। সেটার জন্যে আমাদের সাথে শেয়ার করেন।”

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সাবেক তথ্য মন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারি প্রেস সচিব আশিক ইসলাম, গ্রন্থের প্রকাশক সূচীপত্রের প্রকাশক সাঈদ বারী, আবিস্কার প্রকাশক দেলোয়ার হাসানসহ পেশাজীবী ও সাহিত্যিকরা বক্তব্য রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো খবর

খুলনায় জমি বিক্রি হবে

খুলনা-যশোর বিশ্বরোডে মোস্তফার মোড়ের নিকটে টুটুল নগর আবাসিক এলাকায় এখনই বাড়ি করার উপযোগী ১০ শতক জমি বিক্রি হবে। ডিজিটাল খাজনা খারিজ করা। সম্পূর্ণ নিষ্কন্টক। বিশ্ব রোড থেকে ২০ ফিট রাস্তা, ভেতরে ১৫ ফিট রাস্তা। উচু জমি।

যোগাযোগ: মো. মহসিন হোসেন-০১৭১১৭৮৩৮৬৮

 

© All rights reserved © 2022 deshnews24.com
Theme Customized By Max Speed Ltd.