বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক এইচ এম সাইফ আলী খান বলেছেন, “একটি দেশের প্রকৃত অগ্রগতি তখনই সম্ভব, যখন রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব গঠিত হয় জনগণের সরাসরি ভোট ও ম্যান্ডেটের মাধ্যমে। জনগণের ভোটবিহীন সরকার কখনোই টেকসই বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ কিংবা কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না।”
তিনি এক মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনাকালে এ কথা বলেন।
সাইফ আলী খান বলেন, “প্রতিনিধিত্বশীল ও গণতান্ত্রিক সরকারই কেবল বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়। কারণ, এমন সরকারে থাকে নীতিগত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা—যা একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পূর্বশর্ত। এর বিপরীতে, একচেটিয়া শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রহীন অবস্থা দেশকে করে তোলে অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে দেখা যায়, যেখানে নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত, সেখানে কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি। কারণ, এসব সরকার জনগণের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে।”
এইচ এম সাইফ আলী খান মনে করেন, দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বৈদেশিক বিনিয়োগের জোয়ার এবং তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন একটি গ্রহণযোগ্য, জবাবদিহিতামূলক ও সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এমন সরকারই হবে একটি জাতির ভবিষ্যৎ উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।